ব্ল্যাক সয়েল অর্থাৎ কালো মাটির উইকেট। হোলকার স্টেডিয়ামে প্রথম দিন প্র্যাকটিসের জন্য পা দিয়ে এর বেশি কিছু ঠাওর হয়নি বঙ্গ ক্রিকেটারদের। সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী ইন্দোর থেকে ফোনে বললেন, ‘‘এই উইকেটে আরও অনেক কাজ বাকি। তাই এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে কিউরেটর বললেন ভাল উইকেট হবে। আমরাও সেটাই চাই।” বক্তব্যে এটা পরিষ্কার, ২২ গজ এখনও ধাঁধাঁই বাংলার কাছে।
রবিবার রাতে ইন্দোরে পৌঁছেছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। এদিন সকাল সাড়ে দশটায় মাঠে যখন ওয়ার্ম-আপ শুরু করেন, মাথার উপর কড়া রোদ্দুর ও আবহাওয়া বেশ গরম। বেলা একটা অবধি নেটে ঘাম ঝরালেন আকাশ দীপ, মুকেশ, শাহবাজ আহমেদরা। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে রঞ্জি সেমিফাইনালে বাংলার এই বোলিং লাইন-আপই দলকে ভরসা জোগাচ্ছে।

ক’দিন আগে এই মাঠে ভারত-নিউজিল্যান্ড খেলা হয়েছে। হোলকার স্টেডিয়ামের কিউরেটর কিন্তু রঞ্জিতে ভাল উইকেট দিতে বদ্ধপরিকর। তিনি অতিথি দলকে ভরসা দিয়েছেন এই বলে যে, এটা রঞ্জি সেমিফাইনাল। সারা দেশের নজর থাকবে। এখানে এমন উইকেট হবে যাতে সবাই নিজের সেরাটা দিতে পারবে। বোলার-ব্যাটার সবাই। এখানে উইকেটও পাঁচদিন টিকে থাকবে।

আরও পড়ুন- শুরু রাজবংশী উৎসব

মধ্যপ্রদেশ অন্ধ্রকে হারিয়ে শেষ চারে উঠে এসেছে। বাংলা হারিয়েছে ঝাড়খণ্ডকে। তবে সেমিফাইনালে ঘরের মাঠে আবেশ খানরা বেগ দিতে পারেন বাংলাকে। বঙ্গ দলের পক্ষ থেকে তিন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সোমবার পুজো দিয়ে এলেন মহাকাল মন্দিরে। পুজো দিতে গিয়েছিলেন কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা, অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি ও বোলিং কোচ শিবশঙ্কর পাল। তাঁরা মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে দলের সাফল্য প্রার্থনা করে এসেছেন।

এই ম্যাচের জন্য দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে ওপেনার করণ লালকে। তিনিই অভিমন্যুর সঙ্গে ইনিংস শুরু করবেন। করণ অফস্পিন বলও করেন, এটা মনোজদের কাছে বাড়তি পাওনা। ইন্দোরের উইকেট দেখেই চূড়ান্ত দল। তবে করণের খেলা মোটামুটি নিশ্চিত।