জোরকদমে চলছে তোড়জোর রীতিমতো তৈরি হয়েছে প্যান্ডেল বসেছে বিয়ের আসর। পরের দিন আবার বৌভাত। বিয়ের যাবতীয় সামগ্রী কিনে রীতি মেনেই প্রতিবছর দোলের দিন ভগবান এভাবে কৃষ্ণের বিয়ে দেন রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ। মূলত বাড়ির বাইরে একটি ছোট্ট কাঠের মন্দির তৈরি করা হয়। দুই দিকে দুটি বাঁশের খুঁটি পুঁতে দিয়ে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সেই কাঠের মন্দিরটিকে। অনেকের মতে এই রীতি অনুসারে মন্দির দোলানো অবস্থায় থাকে জন্যই এটিকে ‘দোলপূর্ণিমা’ বলা হয়। প্রত্যেক বছর বসন্তের পূর্ণিমা তিথিতে পূর্ণিমার দিনে কিংবা সূচি অনুসারে বিয়ের আয়োজন করা হয়। ঠিক পরের দিনই ‘বৌ ভাত’ হিসেবে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। সেই রীতি মেনে শুক্রবার দোলের দিন মেখলিগঞ্জের রাজবংশী জনজাতির মানুষরা বিভিন্ন গ্রামে ভগবানের বিয়ের আয়োজন করেন।

উত্তরবঙ্গ কিংবা ওপার বাংলার রংপুর, নীলফামারী উপজেলার রাজবংশী জনজাতির মানুষরা ভিন্ন ভাবে পালন করেন এই উৎসব। হোলির উৎসব সর্বদাই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ভগবান শ্রী-কৃষ্ণের প্রেমের পরব হিসেবে পরিচিত। তাই উত্তরের রাজবংশী জনজাতির মানুষরা পূজা-পার্বন করেই এই উৎসবে শামিল হয়। রাজবংশী সম্প্রদায়ের অনেক মানুষই তাদের বাড়িতে কৃষ্ণের বিয়ের আয়োজন করেন।

আরও পড়ুন- পালং, বিট-গাজরে ভেষজ আবির