গ্রামে একসময় কলাপাতায় খাওয়ার প্রচলন ছিল। অনেকে তো ঘরোয়া পিকনিকে সখের বশে কলাপাতায় খেয়ে থাকে। তবে কলাপাতা, শালপাতার থালা, বাটি, শালপাতার উপর কলাপাতা মোড়া থালার চল এখন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অথচ একটা সময় কলাপাতা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা অঙ্গ ছিল। বর্তমানে থার্মোকলের প্লেট, বাটির চল এখন সবজায়গায়। সস্তায় সহজলভ্য বলে সেগুলোর চল বাড়ছে দিন দিন। কলাপাতায় খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী-
স্টিলের বা কাঁচের প্লেট ধোয়ার পরেও সাবানের রাসায়নিক কণা প্লেটে লেগে থাকতে পারে। এছাড়া এই পাতায় পলিফেনল নামের একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে।

যখন কলাপাতায় গরম খাবার পরিবেশন করা হয় তখন খাবারের সঙ্গে এই পলিফেনল মিশে শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কলাপাতা সম্পূর্ণ রাসায়নিক মুক্ত হওয়ায় এতে খাবার খাওয়া ভালো।

তাছাড়া কলাপাতা পরিবেশ বান্ধব।তাই পরিবেশ দূষণেরও কোনো আশঙ্কা থাকে না। শ্বাসকষ্ট, সর্দি, কাশি, চর্মরোগ, আমাশা, কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্ত স্বল্পতায় কলাপাতার রস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাছাড়া লিভারের সমস্যা সমাধানেও কলাপাতার রস অত্যন্ত উপকারী।

আরও পড়ুন-দৃষ্টি দানে তুলসী